লেখিকাঃ নুসরাত জাহান তনিমা
গতকাল মধ্যরাতে ইন্দ্রু তার দেখা স্বপ্ন নিয়ে তার মা চন্দ্রাবতীর পাশে গিয়ে দাঁড়ায় হাজারো প্রশ্নভরা চোখে। তৎক্ষনাৎ চন্দ্রাবতী ইন্দ্রুকে নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হয়। শেষরাতে একা বাড়ি ফিরে। স্নানকরে সারাবাড়িতে ধূপ-চন্দন ছড়িয়ে তার ছোটো ছেলে অয়ন বর্তমানে তার একমাত্র সম্বলকে দেখতে গেলো।
অয়নের রুমে যেতেই দেখে অয়ন রুমের এক কোণায় মেঝেতে ভয়ে চুপসে বসে আছে। চন্দ্রাবতী অয়নের কাছে আসতেই অয়ন বলে উঠে
চন্দ্রাবতী বুঝলো কাল ইন্দ্রুর সাথে হওয়া সব কথা সে শুনে নিয়েছে।
৭ বছর আগে। সম্পত্তির লোভে তার ভাসুরের একমাত্র মেয়ে মহুয়া'র প্রাণ অকালে কেড়ে নিলো। কিন্তু শান্তি মিলেনি মহুয়ার আত্মার। মহুয়ার আত্মা বিভিন্ন সময়ে কারো না স্বপ্নে দেখা দিয়ে সব বলার চেষ্টা করে। কিন্তু চন্দ্রাবতী তা টের পাওয়া মাত্রই এক এক করে সবাইকে শেষ করে তার পথ থেকে। এবার কি তবে তার শেষ সম্বলটুকুকেও এভাবে দুনিয়া ছাড়তে হবে?
অয়নের শেষ মিনতি তার মায়ের কাছে। আমায় বাঁচতে দাও মা। কাউকে কিছু বলবো না। তোমার কিছু হবে না মা। কেউ জানবে না। মহুয়া দি'র আত্মা অতৃপ্ত থাকবে মা। আমাকে ছেড়ে দাও।
অতঃপর চন্দ্রবতী বাড়ি ফিরে স্নান সেরে ঘরজুড়ে ধূপগন্ধী ছড়িয়ে মহুয়ার উদ্দেশ্য বললো
" তুই অতৃপ্তই থেকে গেলি মহুয়া"
সমাপ্ত
Tags:
story