লেখিকাঃ নুসরাত জাহান তনিমা
বৃষ্টির পানির সাথে সাথে বেয়ে চলেছে রক্তের স্রোত। তৈরি করেছে এক রক্তিম নদী। তার সাথে প্রতিশোধের হিংস্র রুপে আকাশ আরও তেড়ে গর্জন করে উঠলো। কতোদিনের পোষা রাগ আজ জ্বলছে তা দেখে বুক কেপে উঠবে যে কারোর। দেখেই বোঝা যাচ্ছে এতো বড়ো ন্যায় বিরোধী কাজ করেও অনুতপ্ত নয় কালো মুখোশধারী ব্যাক্তিটি। হাত,পা,মাথা সব আলাদা করে দিয়েছে পিশাচ দুটোর, ঠিক সেভাবেই যেভাবে তারা সেই মেয়েটির সাথে করেছিলো ।
দুদিন পর, আলেয়া বেগম পত্রিকা হাতে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। বাড়ির সবাই কাছে এসে জিজ্ঞেস করে যে কি হয়েছে? উত্তরে আলেয়া বেগম বলে,
-- যার কেউ নেই তার আল্লাহ আছে। আমার মেয়েকে ধ/র্ষ/ণ করে এতো জঘন্য ভাবে হ/ত্যা করেও তারা টাকা দিয়ে আদালতের সামনে পার পেয়ে এসেছে। আল্লাহ সেই হিসাব নিয়েছে।
আলেয়া বেগম তার ছোট মেয়ে শিখাকে জড়িয়ে আবারো বলতে থাকে,
--দেখ শিখা দেখ কেউ এই দুই জালিম রফিক আর আজিমকে ঠিক সেইভাবে হ/ত্যা করেছে যেভাবে তোর আপু শিলাকে করা হয়েছিলো। তবে যে তাদের হ/ত্যা করেছে তার উপর আমি চিরকৃতজ্ঞ। আল্লাহ সেই ব্যাক্তির মঙ্গল করুক। আমিন।
এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন আলেয়া বেগম।
এইদিকে শিখা পত্রিকাটি হাতে নিয়ে আপন মনে বলে উঠে, " আজ থেকে সেইসব পা/পি দুনিয়া থেকে বিদায় হবে যারা মেয়েদের একমাত্র সম্মান টুকু কেড়ে নিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়"। বলেই একটা একগাল রহস্যময়ী হাসি দিলো।
এখন প্রায় প্রতিদিন এই এমন হ/ত্যা কান্ডের খবর পাওয়া যায় পত্রিকায় যারা মেয়েদের হয়রানির শিকার করেও পার পেয়ে গিয়েছিলো।
সমাপ্ত
Tags:
story
